নির্দেশিকা

সঞ্চয়পত্র নগদায়ন বা ভাঙ্গানোর নিয়ম ও আবেদন প্রক্রিয়া

বাংলাদেশ সঞ্চয় গবেষণা দলজুন ২২, ২০২৬12 min
✍️ বাংলাদেশ সঞ্চয় গবেষণা দল|📅 জুন ২২, ২০২৬|🔄 সর্বশেষ পর্যালোচনা: জুন ২০২৬

ভূমিকা

জাতীয় সঞ্চয়পত্র বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকদের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ এবং জনপ্রিয় বিনিয়োগ মাধ্যম। সাধারণত এই সঞ্চয়পত্রগুলো একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য (যেমন ৩ বছর বা ৫ বছর) কেনা হয়। তবে জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেও টাকা উত্তোলনের প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।

আপনি মেয়াদের শেষে সঞ্চয়পত্র ভাঙাতে চান বা মেয়াদের পূর্বে (যা ইংরেজিতে Premature Encashment নামে পরিচিত)—সঠিক আবেদন প্রক্রিয়া ও নিয়মাবলী জানা থাকলে খুব সহজেই আপনার টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।

এই ব্লগে ২০২৬ সালের সঞ্চয়পত্র নগদায়ন বা ভাঙানোর নিয়ম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং মেয়াদপূর্ব ভাঙার মুনাফা কর্তন পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।


সঞ্চয়পত্র ভাঙার অফিশিয়াল পরিভাষা ও ফর্ম

বাংলায় যাকে আমরা সঞ্চয়পত্র ভাঙা বলি, ইংরেজিতে তার অফিশিয়াল নাম হলো Sanchayapatra Encashment অথবা Premature Encashment (মেয়াদপূর্তির আগে ভাঙানো)।

সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর জন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট ফর্ম (ফরম এফ-১) পূরণ করে এবং সাথে একটি লিখিত আবেদনপত্র প্রস্তুত করে আপনার ক্রয়কৃত শাখায় জমা দিতে হবে।


সঞ্চয়পত্র নগদায়ন বা ভাঙানোর ধাপসমূহ

সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর জন্য আপনাকে সরাসরি সেই ব্যাংক বা ডাকঘরে যেতে হবে যেখান থেকে আপনি এটি ক্রয় করেছিলেন।

ধাপ ১: সাদা কাগজে আবেদনপত্র তৈরি

সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর জন্য প্রথম কাজ হলো একটি সাদা কাগজে সংশ্লিষ্ট শাখা ব্যবস্থাপক (ব্যাংক) বা পোস্টমাস্টার (ডাকঘর) বরাবর আবেদনপত্র প্রস্তুত করা।

আবেদনপত্রে অবশ্যই নিচের তথ্যগুলো থাকতে হবে:

  • বিনিয়োগকারীর নাম (জাতীয় পরিচয়পত্র ও সঞ্চয়পত্র অনুযায়ী)
  • সঞ্চয়পত্রের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং সার্টিফিকেট নম্বর
  • সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের তারিখ এবং মোট অংক
  • ব্যাংক হিসাবের বিবরণ (যেখানে টাকা জমা হবে - হিসাবের নাম, নম্বর, ব্যাংকের নাম, শাখা এবং রাউটিং নম্বর)
  • ভাঙানোর কারণ (মেয়াদপূর্ব ভাঙানোর ক্ষেত্রে কারণ উল্লেখ করা ভালো)

ধাপ ২: অফিশিয়াল ফর্ম পূরণ

সংশ্লিষ্ট কাউন্টার থেকে আপনাকে একটি আবেদন ফর্ম দেওয়া হবে যা আপনার মূল স্বাক্ষর দিয়ে পূরণ করতে হবে।

যদি আপনি ইন্টারনেট থেকে ফর্মটি ডাউনলোড করতে চান, তবে অফিশিয়াল আবেদন ফর্মের পিডিএফটি সংগ্রহ করতে পারেন। সরাসরি আমাদের সঞ্চয়পত্র ফরম ডাউনলোড নির্দেশিকা থেকেও এটি পেতে পারেন।

ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা

আবেদনপত্রের সাথে নিচের নথিপত্রগুলো সংযুক্ত করতে হবে: ১. মূল সঞ্চয়পত্রের কপি বা অনলাইন ইস্যু কপি (যদি ডিজিটাল পদ্ধতিতে কেনা হয়) ২. বিনিয়োগকারী এবং নমিনীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) কপি ৩. বিনিয়োগকারী এবং নমিনীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি (১-২ কপি, ব্যাংক ভেদে সত্যায়িত করার প্রয়োজন হতে পারে) ৪. এমআইসিআর (MICR) চেকের পাতা (ব্যাংক হিসাবের রাউটিং নম্বর এবং হিসাবের সত্যতা নিশ্চিত করতে একটি খালি চেকে 'CANCEL' লিখে জমা দিতে হয়) ৫. ডাকঘরের বই (যদি ডাকঘর থেকে কেনা হয়, তবে সঞ্চয়পত্র নিবন্ধন বই সাথে নিয়ে যেতে হবে এবং চেকবইয়ের শেষ পাতায় 'চূড়ান্ত উত্তোলন' বা 'Final Withdrawal' ঘরে স্বাক্ষর করতে হবে)

ধাপ ৪: ইএফটি (EFT)-এর মাধ্যমে টাকা জমা

আবেদন অনুমোদিত হওয়ার পর সরকার কর্তৃক আপনার প্রাপ্য টাকা (মূল টাকা + প্রদেয় মুনাফা - অগ্রিম উৎস কর) সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT)-এর মাধ্যমে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সাধারণত এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে ২ থেকে ৩ কার্যদিবস সময় লাগে।


সঞ্চয়পত্র নগদায়নের আবেদনপত্রের নমুনা

গ্রাহকদের সুবিধার্থে নিচে দুটি আবেদনপত্রের নমুনা দেওয়া হলো। এগুলো কপি করে অথবা সাদা কাগজে লিখে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে খুব সহজেই আবেদনপত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

নমুনা ১: বাণিজ্যিক ব্যাংকের জন্য আবেদনপত্র (যেমন সোনালী ব্যাংক, বা অন্যান্য ব্যাংক শাখা)

সঞ্চয়পত্র নগদায়নের আবেদনপত্রের নমুনা (২০২৬)

তারিখ: [আবেদনের তারিখ, যেমন: ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

বরাবর
ব্যবস্থাপক
[ব্যাংকের নাম, যেমন: সোনালী ব্যাংক পিএলসি]
[শাখার নাম, জেলা, যেমন: টাঙ্গাইল শাখা, টাঙ্গাইল]

বিষয়: মেয়াদপূর্তির পূর্বে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন প্রসঙ্গে।

জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার ব্যাংকের উক্ত শাখার একজন সঞ্চয়পত্র গ্রাহক। আমার পারিবারিক জরুরি প্রয়োজনে নিম্নোক্ত সঞ্চয়পত্রটি নগদায়ন করা আবশ্যক।

সঞ্চয়পত্রের বিস্তারিত তথ্য:

  • সঞ্চয়পত্রের ধরন: [যেমন: পারিবারিক সঞ্চয়পত্র]
  • রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ...........................................
  • ইস্যুর তারিখ: ...........................................
  • মূল টাকার পরিমাণ: [যেমন: ৭,০০,০০০/- (সাত লক্ষ টাকা মাত্র)]
  • ব্যাংক হিসাব নম্বর: ........................................... (যেখানে টাকা জমা হবে)

অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার উল্লিখিত সঞ্চয়পত্রটি বিধি মোতাবেক নগদায়ন করে প্রাপ্য অর্থ আমার ব্যাংক হিসাবে জমা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বাধিত হব।

বিনীত নিবেদক,
[আপনার স্বাক্ষর]
নাম: ...........................................
এনআইডি নম্বর: ...........................................
মোবাইল নম্বর: ...........................................

নমুনা ২: বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্য আবেদনপত্র (সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কেনা সঞ্চয়পত্রের জন্য)

তারিখ: [আবেদনের তারিখ, যেমন: .........ইং]

বরাবর
নির্বাহী পরিচালক
বাংলাদেশ ব্যাংক
[অফিসের ঠিকানা, যেমন: মতিঝিল অফিস, ঢাকা।]

বিষয়: মেয়াদপূর্তির পূর্বে ...... সঞ্চয়পত্র সম্পূর্ণ/আংশিক নগদায়ন প্রসঙ্গে।

জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি বিগত .................... খ্রি. তারিখে (....................) লক্ষ টাকা মূল্যমানের .................... সঞ্চয়পত্র ক্রয় করি, যার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ....................। বর্তমানে পারিবারিক প্রয়োজনে উক্ত সঞ্চয়পত্রটি সম্পূর্ণ / আংশিক (....................) লক্ষ টাকা নগদায়ন করতে ইচ্ছুক।

অতএব, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

বিনীত নিবেদক,
[আপনার স্বাক্ষর]
নাম: ...........................................
ঠিকানা: ...........................................
হিসাব নম্বর: ...........................................


মেয়াদপূর্ব সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর নিয়ম ও মুনাফা কর্তন

মেয়াদের আগে সঞ্চয়পত্র ভাঙানোকে মেয়াদপূর্ব নগদায়ন বা Premature Encashment বলা হয়। আপনি যেকোনো সময় এটি ভাঙাতে পারলেও, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ভাঙালে পূর্ণ হারে মুনাফা পাবেন না।

যেমন, ৫ বছর মেয়াদের জন্য সাধারণ বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের সুদের হার হলো ১১.২৮% (অথবা বিনিয়োগ স্তর অনুযায়ী ১০.৪৪%)। তবে আপনি যদি এই ৫ বছর মেয়াদের আগে সঞ্চয়পত্রটি ভাঙেন, তবে মুনাফার হার অনেক কমে যাবে।

[!WARNING] মূল টাকা থেকে মুনাফা সমন্বয় বা কর্তন আপনি যদি ইতিমধ্যে প্রতি মাসে বা প্রতি ৩ মাস পর পর নিয়মিত মুনাফা তুলে থাকেন, তবে ভাঙানোর সময় প্রি-ম্যাচুর রেট অনুযায়ী প্রাপ্য মুনাফা এবং আপনার উত্তোলিত মুনাফার পার্থক্য হিসাব করা হবে। যদি আপনি বেশি মুনাফা তুলে থাকেন, তবে সেই অতিরিক্ত উত্তোলিত টাকা আপনার মূল বিনিয়োগ (Principal) থেকে কেটে রেখে বাকি টাকা ফেরত দেওয়া হবে

আপনি কত টাকা প্রি-ম্যাচুর ভাঙার পর ফেরত পাবেন এবং কত টাকা কর্তন করা হবে তা বিস্তারিত হিসাব করতে আমাদের সঞ্চয়পত্র নগদায়ন ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারেন।

মেয়াদপূর্ব ভাঙানোর মুনাফার হার (১ম স্তর - ৭.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত)

নিচের টেবিলে বিভিন্ন সঞ্চয়পত্র মেয়াদের আগে ভাঙালে প্রতি বছর শেষে কার্যকর বার্ষিক মুনাফার হার দেখানো হলো:

ধারণকাল৫ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্র (মুনাফার হার)পরিবার সঞ্চয়পত্র৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিকপেনশনার সঞ্চয়পত্র
১ বছরের কম০.০০% (কোনো মুনাফা নেই)০.০০% (কোনো মুনাফা নেই)০.০০% (কোনো মুনাফা নেই)০.০০% (কোনো মুনাফা নেই)
১ বছর থেকে ২ বছর৭.৭২%৯.৫০%১০.০০%৯.৭০%
২ বছর থেকে ৩ বছর৮.৫৫%১০.০০%১০.৫০%১০.১৫%
৩ বছর থেকে ৪ বছর৯.৩%১০.৫০%১১.০৪% (মেয়াদ শেষ)১০.৬৫%
৪ বছর থেকে ৫ বছর৯.৭৫%১১.০০%N/A১১.২০%
পূর্ণ মেয়াদ (৫ বছর)১১.২৮% / ১০.৪৪% (৫ বছর মেয়াদি সাধারণ হার)১১.৫২% (or ১০.৫৪% in 2026)N/A১১.৭৬% (or ১০.৫৯% in 2026)

দ্রষ্টব্য: বিনিয়োগের মোট পরিমাণ ৭.৫০ লক্ষ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার কিছুটা কমে যায়। উপরের টেবিলে ১ম স্তরের (৭.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত) সর্বোচ্চ হারগুলো দেখানো হয়েছে।


সঞ্চয়পত্র নগদায়নের ওপর উৎস কর (TDS)

ভাঙানোর সময় সঞ্চয়পত্র থেকে অর্জিত মোট মুনাফার ওপর কর কর্তন করা হয়:

  • সাধারণ সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে অর্জিত মুনাফার ওপর ফ্ল্যাট ১০% অগ্রিম উৎস কর (TDS) কেটে রাখা হয়।
  • পেনশনার সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে মোট পুঞ্জীভূত বিনিয়োগ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হলে কোনো কর কাটা হয় না (০% কর)। ৫ লক্ষ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে লভ্যাংশের ওপর ১০% কর কাটা হয়।
  • এই কেটে নেওয়া কর বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় সমন্বয় করা যায়।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

প্রশ্ন: আমি কি সঞ্চয়পত্র আংশিক ভাঙাতে পারি? উত্তর: না, সঞ্চয়পত্র আংশিক ভাঙানোর সুযোগ নেই। একটি নির্দিষ্ট মূল্যের সার্টিফিকেট বা সঞ্চয়পত্র পুরোপুরি ভেঙে ফেলতে হবে। আপনার যদি আংশিক টাকার প্রয়োজন হয়, তবে পুরো টাকা তুলে নিয়ে প্রয়োজনীয় অংশ রেখে বাকি টাকা দিয়ে পুনরায় নতুন সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন।

প্রশ্ন: মালিক বেঁচে থাকা অবস্থায় কি নমিনী সঞ্চয়পত্র ভাঙাতে পারেন? উত্তর: না। মালিক জীবিত থাকা অবস্থায় নমিনীর কোনো আইনি অধিকার নেই। শুধুমাত্র প্রকৃত বিনিয়োগকারী নিজেই ভাঙানোর আবেদন করতে পারবেন।

প্রশ্ন: বিনিয়োগকারীর মৃত্যু হলে নগদায়নের নিয়ম কী? উত্তর: বিনিয়োগকারী মারা গেলে নমিনী সঞ্চয়পত্র ভাঙাতে পারবেন। এ জন্য মালিকের মৃত্যু সনদপত্র, নমিনীর জাতীয় পরিচয়পত্র এবং স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর বা চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত উত্তরাধিকার বা নমিনী প্রত্যয়ন পত্রের প্রয়োজন হবে।

প্রশ্ন: আমি কি যেকোনো ব্যাংক বা শাখা থেকে সঞ্চয়পত্র ভাঙাতে পারব? উত্তর: না। আপনি যে নির্দিষ্ট ব্যাংক শাখা, ডাকঘর বা সঞ্চয় ব্যুরো থেকে সঞ্চয়পত্রটি কিনেছিলেন, সেখান থেকেই এটি ভাঙানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

প্রশ্ন: মেয়াদপূর্ব ভাঙানোর জন্য ক্যালকুলেটর কোথায় পাব? উত্তর: আপনি সরাসরি আমাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে খুব সহজেই লভ্যাংশ এবং মূল টাকা কর্তনের হিসাব করতে পারেন।

প্রশ্ন: আবেদন ফর্মের PDF ডাউনলোড লিঙ্কটি কোথায় পাব? উত্তর: আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করতে চাইলে আমাদের সঞ্চয়পত্র ফরম ডাউনলোড নির্দেশিকা পেজে গিয়ে অফিশিয়াল পিডিএফ ডাউনলোড করে নিতে পারেন।


উপসংহার

২০২৬ সালে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন প্রক্রিয়া আগের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত এবং সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফারের কারণে নিরাপদ। তবে মেয়াদের আগে ভাঙার ক্ষেত্রে মুনাফার ক্ষতির বিষয়টা মাথায় রাখা উচিত।

সঞ্চয়পত্র ভাঙার পর কত টাকা ফেরত পাবেন এবং কত টাকা কর হিসেবে কাটা যাবে তা নিখুঁতভাবে জানতে আমাদের ওয়েবসাইটের অনলাইন সঞ্চয়পত্র নগদায়ন ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারেন।

🇧🇩

বাংলাদেশ সঞ্চয় গবেষণা দল

বাংলাদেশ সঞ্চয় গবেষণা দল মূলত ব্যক্তিগত অর্থায়ন বিশেষজ্ঞ, ডেটা অ্যানালিস্ট এবং আর্থিক নিয়মাবলী বিশ্লেষকদের একটি নিবেদিত দল। আমরা অত্যন্ত যত্ন সহকারে বাংলাদেশের প্রতিটি সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার, সরকারি পরিপত্র এবং আয়কর নিয়মাবলী বিশ্লেষণ করে শতভাগ নির্ভুল তথ্য ও দিকনির্দেশনা প্রদান করি।

সব গাইড দেখুন
শেয়ার করুন: